প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা করে যুক্তরাষ্ট্রকেই আঘাত করতে চায় ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মৃত্যুর পর দেশটি উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। এর মধ্যে কাতার ও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে তারা। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে কি ইরান নিজেদের শত্রুর সংখ্যা বাড়াচ্ছে?
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান আহমাদিয়ানের কাছে আলজাজিরার প্রশ্ন ছিল, উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা ইরানের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত কিনা?
এ প্রশ্নের জবাবে হাসান আহমাদিয়ান বলেন, ‘আমার মনে হয় না, এটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’
তবে তিনি বলেন, ‘ইরান আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা, মার্কিন ঘাঁটি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকেই লক্ষ্য করছে। আর এসব হামলায় আমরা যেমন দেখছি, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস বাজারও অন্তর্ভুক্ত।’
আলজাজিরাকে তিনি বলেন, ‘ইরান এভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে, যদিও এর প্রভাব এ অঞ্চলের অনেক দেশের ওপর পড়তে পারে।’
আহমাদিয়ান আরও বলেন, ‘উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার মাধ্যমে ইরান চাপ আরও বাড়াতে চাইছে, যাতে বৈশ্বিক তেল ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পায় এবং এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আগ্রাসী নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করা যায়।’