বিশ্ব বাজারে কমেছে তেলের দাম

ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার ঝুঁকি পুনর্মূল্যায়ন হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম তীব্রভাবে বেড়েছিল। তবে তাৎক্ষণিক সামরিক পদক্ষেপের কোনো লক্ষণ না থাকায় বাজার কিছুটা শান্ত হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ১ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। ইরানের সঙ্গে সংঘাত হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হতে পারে এই আশঙ্কায় আগেই দাম বেড়ে গিয়েছিল। হরমুজ প্রণালি বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রত্যাশিত উত্তেজনা বাস্তবে রূপ না নেওয়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরেছে। সামরিক পদক্ষেপ বা সরবরাহ বিঘ্নের তাৎক্ষণিক কোনো সংকেত না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি কম ধরে নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্বখ্যাত মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগানের বিশ্লেষকরা মনে করেন, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা সীমিত আকারের হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির এক নোটে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলা হলে তা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সীমিত থাকবে এবং ইরানের তেল উৎপাদন ও রপ্তানি অবকাঠামো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে।
এর আগে সিটিগ্রুপও জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের কোনো পদক্ষেপ হলে তা সংযত থাকবে বলে তারা আশা করছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম থাকবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।