logo

১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় বিমানে বজ্রপাত, অতঃপর...

এই সময়
এই সময়
১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় বিমানে বজ্রপাত, অতঃপর...
মাঝআকাশে বজ্রপাতের শিকার ইন্ডিগোর বিমান। ছবি: এই সময়

ভারতের বিহার রাজ্যের প্রধান শহর পাটনা থেকে উত্তর প্রদেশের লখনৌ যাওয়ার পথে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিমানের ১১০ যাত্রী। মাঝ আকাশে প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় বজ্রপাতের শিকার হয় তাদের বহনকারী ইন্ডিগোর বিমান। বজ্রপাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই বিমানে সামনের অংশ, যাকে বলা হয় ‘নোজ’। তবে বজ্রাঘাতের পরও কাছে কোনো বন্দরে অবতরণ না করেই শেষ পর্যন্ত গন্তব্যে পৌঁছায় ফ্লাইটটি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলের ঘটনায় এটি। কর্মকর্তারা বলছেন, বজ্রপাতের পর বেশ দক্ষতার সঙ্গে পাইলট পরিস্থিতি সামাল দেন। নিরাপদে অবতরণ করার কারণে সব যাত্রী ও ক্রু সুরক্ষিত আছেন।

বিমান কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা গেছে, ঘটনাটির দিন বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে পাটনা বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে ইন্ডিগোর ৬ই৯২৫ ফ্লাইট। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ওই ফ্লাইটটির লখনৌ বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা ছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই মাঝ আকাশে বজ্রপাতের শিকার হয়। এতে করে বিমানটির সামনের অংশ ‘নোজ’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফ্লাইটটিতে ছয়জন ক্রুসহ ১০৪ যাত্রী ছিলেন।

ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের (ডিজিসিএ) তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের ৮ মিনিট আগেই লখনৌ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে ওই বিমানটি। তাতে থাকা যাত্রী ও ক্রুরা সকলেই নিরাপদে আছেন। প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ওড়ার সময় বিমানটি বজ্রপাতের কবলে পড়ে। এই নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনায় কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার ছাড়পত্র পাওয়ার পরই বিমানটিকে পুনরায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। লখনৌ থেকে ৬ই৬৯৬৮ নম্বর হয়ে ওই ফ্লাইটটির আমেদাবাদে যাওয়ার কথা ছিল। তবে, ওই বিমানের ‘নোজ’ বা সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যাত্রীদের অন্য একটি ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়। ওই যাত্রীদের নিয়ে সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিট নাগাদ আমেদাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ওই বিমান।