logo

বাড়ি থেকেই আটক ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

বাড়ি থেকেই আটক ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি
ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। ছবি: টাইমস অব ইন্ডিয়া

রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে ভারতীয় পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে হরিয়ানার গুরুগ্রামে নিজের বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। ধ্রুব রাঠিকে আটকের ঘটনায় তার মুক্তি দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকালে দিল্লি পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় ধ্রুবর বাসভবনে যান। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগের সন্ধ্যায় নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ধ্রুব শনিবারের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার কথা জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত এই ইউটিউবার চলতি সপ্তাহের শুরুতেই জার্মানি থেকে ভারতে আসেন। গত ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি।

ধ্রুবকে আটকের পর তার অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে সিজেপি। সংগঠনটি এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদও জানিয়েছে।

দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি তাদের প্রস্তাবিত বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য পুলিশের অনুমতি পায়নি। নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে কর্মসূচির অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা সমর্থকদের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানো ঠেকাতে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আগাম সতর্কতামূলক আটক অভিযানও চালায় পুলিশ।

এনডিটিভির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের আগে সারা রাত ৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রেল ও মেট্রো পরিষেবাতেও ব্যাপক বিঘ্নের খবর পাওয়া গেছে।

সিজেপি সমর্থকদের যন্তর মন্তরে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েনের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ধ্রুব রাঠিকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।