logo

ইরাকের সব জ্বালানি বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ 

ইরাকের সব জ্বালানি বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ 

সব জ্বালানি বন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। দেশটির বসরা প্রদেশের ম্মে কাসর বন্দরে দুটি তেলবোঝাই তেলের ট্যাংকারে হামলার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়। 

ইরাকের জেনারেল কোম্পানি ফর পোর্টস-এর প্রধান ফারহান আল-ফারতুসি বলেন, সব তেলের টার্মিনাল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হলেও বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।

এর আগে, ইরাকি জ্বালানি তেলবাহী দুটি বিদেশি ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়। এতে ট্যাংকার দুটিতে আগুন ধরে যায়। হামলায় একজন ক্রু সদস্য নিহত এবং ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে হঠাৎ ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বহু শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে এই হামলা চালানো হয়।

হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

জবাবে ইসরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনিকে হত্যার পর ১ মার্চ থেকে হামলার তীব্রতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তেহরান। ইসরায়েলের পাশাপাশি সৌদি আবর, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেকে দেশে হামলা চালাচ্ছে ইরান।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন।

১২ দিনের সংঘাত শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়। সেই যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনাই এ বছরের সংকটের ভিত গড়ে দেয়।