logo
Advertisement

গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টারমার: সেভ দ্য চিলড্রেন

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টারমার: সেভ দ্য চিলড্রেন
কিয়ার স্টামার (বামে) ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নৃশংসতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে। গাজায় উপত্যকায় ২১ হাজার ফিলিস্তিনি শিশু হত্যার পেছনে ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছে সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে। এ জন্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শিশু দাতব্য সংস্থা।

বুধবার (১৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সংস্থা লিখেছে, ‘ইতিহাস আপনার এই অপরাধে জড়িত থাকার বিষয়টি মনে রাখবে।’

সেভ দ্য চিলড্রেন তাদের পোস্টে অভিযোগ করেছে, কিয়ার স্টারমারের সরকার ‘ফিলিস্তিনি, তাদের পরিবার ও শিশুদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের নৃশংসতাকে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে।’ এনজিওটি উল্লেখ করেছে, ২০২৪ সালে আংশিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্য এখনো ইসরায়েলকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে যাচ্ছে।

পোস্টটির সঙ্গে একটি প্রতীকী ফলকের ছবি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘কিয়ার স্টারমার ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ২১ হাজার শিশুসহ ৭৩ হাজার ফিলিস্তিনিকে নিহত হতে দেখেছেন। তারপরেও ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে না।’

কিয়ার স্টারমারের এই ভূমিকাকে বিদায়ি প্রধানমন্ত্রীর মূল ‘উত্তরাধিকার’ বা লেগাসি হিসেবে অভিহিত করেছে সংস্থাটি।

যুক্তরাজ্যের আসন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে সেভ দ্য চিলড্রেন বলেছে, ‘ফিলিস্তিনিরা যে ভয়াবহতার সম্মুখীন হয়েছে তা হয়তো এখন আর কিছুই পরিবর্তন করতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর কাছে নৃশংসতার মিত্র হিসেবে যুক্তরাজ্য সরকারের এই কলঙ্কজনক ভূমিকার অবসান ঘটানোর একটি বড় সুযোগ রয়েছে।’

নবনির্বাচিত লেবার এমপি ও দলটির সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে ট্যাগ করে শিশুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থাটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে যে, ‘আপনার ফলকে কী লেখা থাকবে?’

যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই শিশু অধিকার সংস্থাটি অবিলম্বে ইসরায়েলের কাছে সব ধরনের অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করা, যুক্তরাজ্য-ইসরায়েল বাণিজ্য ও অংশীদারত্ব চুক্তি স্থগিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে গড়ে তোলা অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার জন্য ব্রিটিশ সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই