logo

হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই যেভাবে তেল রপ্তানি হচ্ছে

হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই যেভাবে তেল রপ্তানি হচ্ছে

হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই জ্বালানি তেল রপ্তানি করছে উৎপাদনকারীরা। এবার সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ভিন্ন পথে তেল রপ্তানি করছে।

বুধবার (১১ মার্চ) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে বিবিসি।

সৌদি আরব তার পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে তেল প্রবাহ বৃদ্ধি করছে। ৭৫০ মাইল (১২০০ কিলোমিটার) দীর্ঘ পাইপলাইনটি পারস্য উপসাগরের জ্বালানি  ক্ষেত্রগুলো থেকে লোহিত সাগরের রপ্তানি টার্মিনালে অপরিশোধিত তেল পরিবহন করে। এর ফলে জ্বালানি রপ্তানির কাজে ব্যবহৃত জাহাজগুলো সংঘাতকবলিত হরমুজ প্রণালি বাইপাস করে তেল পরিবহন করতে পারছে। 

বর্তমান সংকটের আগে সৌদির পূর্ব-পশ্চিমের পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২.৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবহন করা হতো। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দেশটির আরামকো তেল কোম্পানির প্রধান  জানিয়েছেন, তারা এখন প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের রপ্তানি টার্মিনালে নিয়ে যাচ্ছেন। এরপর সেখানকার বন্দরে অবস্থানরত ট্যাঙ্কার জাহাজে তেল লোডিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়।

পারস্য উপসাগরীয় জ্বালানি উৎপাদকদের মধ্যে শুধু সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালি বাইপাস করে তেল রপ্তানি করতে পারে। এ দেশ দুটির আলাদা পাইপলাইন রয়েছে।  সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি (অপরিশোধিত) তেল পাইপলাইন ওমান উপসাগরের ফুজাইরা বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ১.৮ মিলিয়ন ব্যারেল জ্বালানি পরিবহন করতে পারে।

কিন্তু, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এসব পাইপলাইন ব্যবহার করে আগের মতো পুরো দমে জ্বালানি রপ্তানি করতে পারে না। এখন তাদের তেল রপ্তানির পরিমাণ অর্ধেক কমে গেছে।

অপরদিক কুয়েত, ইরাকসহ অন্যান্য উপসাগরীয় উৎপাদকরা ইতোমধ্যে তেল ও জ্বালানি  উৎপাদন কমানো শুরু করেছে। এটা মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস শিল্পের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট।