logo

এবার ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

এবার ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডর। 

বুধবার (৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইউনিট মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড এই তথ্য জানিয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় মার্কিন সামরিক কার্যক্রম তদারক করে এই ইউনিট। খবর আল-জাজিরা 

বিবৃতিতে জেনারেল ফ্রান্সিস ডোনোভান বলেন, ‘৩ মার্চ ইকুয়েডর ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দেশটিতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। নারকো-সন্ত্রাসবাদের অভিশাপ মোকাবিলায় লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অংশীদারদের অঙ্গীকারের শক্ত উদাহরণ এই অভিযান।’

বিবৃতির সঙ্গে প্রকাশিত ভিডিওতে সামরিক হেলিকপ্টার উড্ডয়ন এবং আকাশপথ থেকে তোলা সাদা-কালো নজরদারি চিত্র দেখা যায়, যেখানে কয়েকজনকে হেলিকপ্টারে আরোহণ করতে দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘোষণা লাতিন আমেরিকায় অপরাধচক্র ও মাদক কার্টেলের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৃহত্তর অবস্থানের অংশ।

তবে ইকুয়েডরে পরিচালিত অভিযানের পরিধি এখনও স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আপাতত মার্কিন সহায়তা ইকুয়েডরের সেনাদের লজিস্টিক ও গোয়েন্দা তথ্য প্রদানের মধ্যেই সীমিত রয়েছে।

এদিকে বুধবার হোয়াইট হাউসে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট যৌথ অভিযানের প্রশংসা করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এমন নারকো-সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছি, যারা দীর্ঘদিন ধরে পুরো অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দুর্নীতি চাপিয়ে দিয়েছে।’

মাদকসন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে গত জানুয়ারিতেই ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানে নেমেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সামরিক সেই অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে আসে মার্কিন সেনারা। এবার সেই একই অভিযোগে দক্ষিণ আমেরিকার আরেক দেশ ইকুয়েডরে সামরিক অভিযান শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র।