যুদ্ধের মধ্যে সাইবার হামলার আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক ও আর্থিক খাত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাত। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সাধারণত সাইবার হামলার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ কারণে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি বাড়িয়েছে।
রয়টার্সের খবর জানায়, শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইরানের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাইবার হামলার আশঙ্কাও বেড়েছে।
আর্থিক খাতে সাইবার নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যেমন পেমেন্ট সিস্টেম, ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট, ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেজারি মার্কেট পরিচালনা এই খাতের দায়িত্বে থাকায় এটি সাইবার হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এসআইএফএমএর আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টড ক্লেসম্যান বলেন, ‘আর্থিক খাত সবসময় সাইবার হুমকির জন্য সতর্ক থাকে। বিশেষ করে যখন বিশ্বব্যাপী সাইবার হামলার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, তখন তারা আরও প্রস্তুত থাকে। আমরা অপারেশনাল স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দিকে মনোযোগী আছি, যা মার্কেটের অখণ্ডতা ও স্থিতিশীলতার ভিত্তি।’
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার একটি মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকটিভিস্টরা DdoS জাতীয় কম পরিসরের সাইবার হামলা চালাতে পারে, যেখানে লক্ষ্যবস্তু সার্ভারকে ইন্টারনেট ট্রাফিকের স্রোত দিয়ে অচল করার চেষ্টা করা হয়। ২০২৫ সালের আর্থিক খাতের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালে DDoS হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল আর্থিক খাত, যেখানে হামাস-ইসরায়েল ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ হ্যাকটিভিজম বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রেখেছিল।