ইসরায়েলের সেনা সদর দপ্তরে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

তেল আবিবের কিরিয়া এলাকায় অবস্থিত ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে লেবাননের হিজবুল্লাহ। একইসঙ্গে তেল আবিবের উত্তরে ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার একটি স্থাপনাতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বার্তায় বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে এ হামলা চালানোর তথ্য জানিয়েছে হিজবুল্লাহ।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কিরিয়া এলাকাটি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরের পাশাপাশি সরকারের আরও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে অনুপ্রবেশকারী ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে তাদের যোদ্ধাদের লড়াই চলছে। ইসরায়েলও জানিয়েছে, বুধবার সেখানে তাদের আরও এক সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অবসানের প্রচেষ্টায় ‘আশার আলো’ দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চীনের শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই। যদিও তেহরান এখনও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল, তবুও আলোচনার সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে চীন।
দ্য স্ট্রেইটসম টাইমসের খবর জানায়, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তুরস্ক ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনালাপে আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ওয়াশিংটন এবং তেহরান উভয় পক্ষই আলোচনার টেবিলে ফেরার সংকেত দিচ্ছে।
এর আগে গত ২৫ মার্চ মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপকালে ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই আলোচনার আগ্রহ দেখানোয় শান্তির একটি ক্ষীণ আশা তৈরি হয়েছে।
চীনের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘছি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি। এই মুহূর্তে আলোচনার কথা বলা মানে পরাজয় স্বীকার করে নেওয়া।