
অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন বাড়াচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর, তাদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। অবৈধ বসতি স্থাপনে ইসরায়েল সরকারও উৎসাহ ও সহায়তা দিচ্ছে। এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে চীন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের কার্যক্রম বন্ধ করতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
বিবৃতিতে বলা হয়, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজারবাইজানে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ‘জোরপূর্বক বসতি স্থাপন’ বন্ধ করা এবং এসব বসতি প্রত্যাহার করা উচিত। চীন ধারাবাহিকভাবে ফিলিস্তিন প্রশ্নকে শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক অবিচার হিসেবে দেখে আসছে।
ওয়াং জোর দিয়ে বলেন, ‘দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান’ই এই সংকট সমাধানের সঠিক পথ। এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের পথ পুরোপুরি খুলে দেওয়া, যাতে কোনো মানবিক ‘বিপর্যয়’ ছড়িয়ে পড়তে না পারে।
ওয়াং বলেন, চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে সব পক্ষ যত দ্রুত সম্ভব সংলাপে ফিরে আসে এবং একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা যায়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে ওয়াং আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘এশিয়ায় পারস্পরিক যোগাযোগ ও আস্থা-নির্মাণবিষয়ক সম্মেলনের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে’ অংশ নিচ্ছেন।
