logo

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সামরিক সংঘাতের জেরে কূটনৈতিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। নিজেদের দীর্ঘদিনের ‘নিরপেক্ষ রাষ্ট্র’ নীতি বজায় রাখতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সব ধরনের অস্ত্র ও যুদ্ধাস্ত্র রপ্তানি স্থগিত ঘোষণা করেছে দেশটি।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সুইজারল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুইজারল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র রপ্তানির জন্য কোনো কোম্পানিকে লাইসেন্স দেবে না। ইরানের সাথে আন্তর্জাতিক সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত কোনো দেশের কাছেই এই মূহূর্তে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি বা পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। 

সুইস ফেডারেল কাউন্সিল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো নতুন রপ্তানি লাইসেন্স ইস্যু করা সম্ভব নয়।

শুধু অস্ত্র রপ্তানি নয়, মার্কিন যুদ্ধবিমানের জন্য নিজেদের আকাশপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। গত সপ্তাহে ইরান সংশ্লিষ্ট সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দুটি আকাশপথ ব্যবহারের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি। 

২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময়ও সুইজারল্যান্ড একই ধরনের কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।

সুইস সরকারের তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো নতুন সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। এমনকি গত কয়েক বছর ধরে ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও কোনো চূড়ান্ত রপ্তানি লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে বার্ন।

এ ছাড়া দেশটির একটি বিশেষজ্ঞ দল নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানির উন্নয়ন পর্যালোচনা করছে। নিরপেক্ষতা আইনের অধীনে আর কী কী পদক্ষেপ দেওয়া দরকার তা মূল্যায়ন করছে।