logo

ভয়াবহ হামলায় কেঁপে উঠল খারগ দ্বীপ

ভয়াবহ হামলায় কেঁপে উঠল খারগ দ্বীপ

যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ হামলায় কেঁপে উঠল খারগ দ্বীপ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে এই হামলায় কোনো জ্বালানি বা তেল স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক কৌশলের কোনো পরিবর্তন নয়।

এক বিবৃতিতে ভ্যান্স বলেন, আমরা খারগ দ্বীপের কিছু সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলাম এবং আমার বিশ্বাস আমরা তা সম্পন্ন করেছি।

যুক্তরাষ্ট্রের এ  ভয়াবহ হামলায় খারগ দ্বীপের ইরানি সামরিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়। তবে কোনো জ্বালানি বা তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ না ইরান আমাদের গ্রহণযোগ্য কোনো প্রস্তাব দিচ্ছে অথবা কোনো প্রস্তাব দেওয়া থেকে বিরত থাকছে, ততক্ষণ আমরা তাদের জ্বালানি ও অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে কোনো হামলা চালাব না।

ভ্যান্সের মতে, খারগ দ্বীপের এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলে কোনো পরিবর্তন আনেনি। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের পূর্বঘোষিত অবস্থানেরই প্রতিফলন।

আলজাজিরা জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বড় আকারের হামলার পর থেকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ আক্রমণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এ ছাড়া ১৫০ জনেরও বেশি স্কুলছাত্রী এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ দুই হাজার ৭৬ জনেরও বেশি মানুষ মারা যান। এ ছাড়া যুদ্ধে আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ জনে ।

ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছে। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং সামরিক কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছে। ইসরায়েলি শহরগুলোতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরানি সেনারা। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।