logo

ইরান-ইসরায়েল হামলা বন্ধের খবরে তেলের দামে বড় পতন

ইরান-ইসরায়েল হামলা বন্ধের খবরে তেলের দামে বড় পতন
ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধের খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে।

সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছেছে।

এদিন সকালে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৪ দশমিক ৪৫ ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

অয়েল প্রাইজ ডটকমের তথ্য বলছে, একই সময়ে বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্রের বেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে। এদিন সকালে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারের বেশি পৌঁছেছিল বলে জানায় আলজাজিরা।

এর আগে ইরানের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দেয় যে, আপাতত ইসরায়েলের ওপর হামলা বন্ধ। তবে ইসরায়েল যদি সীমা লঙ্ঘন করে ইরানে বা লেবাননে হামলা চালায়, তাহলে এর জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে।

এর কিছুক্ষণ পর ইসরায়েলের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানায়, ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত করেছে। ইসরায়েলি শহরগুলোতে হিজবুল্লাহর হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে হামলা চালাবে।

গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির পর লেবাননে হামলার জবাবে এই প্রথম ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল ইরান। ইসরায়েলও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।

পাশাপাশি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় নতুন মাত্রা তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ৯৫ ডলারের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে।

এদিকে ইসরায়েলের চালানো বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই জানিয়েছেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে দেশটির একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে চালানো এই হামলাটি ছিল তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের।

নাটকীয় বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলা পেছানোর কূটনৈতিক তোড়জোড় চলার মাঝে এই হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।