logo

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় ইসরায়েলের হামলা

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় ইসরায়েলের হামলা

ইরানের কোম শহরে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, দেশটির বিমানবাহিনী ওই হামলা পরিচালনা করে এবং হামলায় উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাটি ধ্বংস করা হয়েছে। তার দাবি, ওই ব্যবস্থা থেকে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইরান।

আল-জাজিরার খবর জানায়, এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র অবিচাই আদ্রাই বলেছেন, ‘ইরানের ইসফাহান শহরে একটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল করা এবং অঞ্চলটির আকাশে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও সম্প্রসারণ করা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই এই হামলা চালানো হয়। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ ও বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ অন্তত ৪৮ শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

জবাবে ইসরায়েলে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনিকে হত্যার পর গত রোববার থেকে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে তেহরান। সৌদি আবর, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১০টি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন। ১২ দিনের সংঘাত শেষে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছায়। সেই সংঘাতই ভিত গড়ে দেয় এবারের যুদ্ধের।