ইউরোপে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ নিয়ে বাড়ছে উত্তেজনা

ইউরোপে রাশিয়ার কথিত ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। জার্মানির লেইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলার ঘটনায় সরাসরি মস্কোকে দায়ী করার পর রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মস্কো অবশ্য অভিযোগটি অস্বীকার করে জার্মানির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্টের ভাষ্য, বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন মোতায়েনের ঘটনা ইউরোপে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড অভিযানের’ পরিচিত ধাঁচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তার মতে, প্রকাশ্য সামরিক সংঘাতে না গিয়ে সামরিক ও অসামরিক বিভিন্ন পদ্ধতিতে চাপ সৃষ্টি করাই এ ধরনের অভিযানের বৈশিষ্ট্য।
ঘটনার পর জার্মানি ও রাশিয়া পরস্পরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে বন শহরে রুশ কনস্যুলেটও রয়েছে।
নেটোতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ হুইটেকার লেইপজিগ/হালে বিমানবন্দরের ঘটনাকে ইউরোপে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা ‘সবচেয়ে উদ্বেগজনক হাইব্রিড কর্মকাণ্ডগুলোর একটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড যে গ্রহণযোগ্য নয় এবং পশ্চিমা দেশগুলো তা মেনে নেবে না—এ বার্তা স্পষ্টভাবে দেওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর ইউরোপজুড়ে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা নাশকতা ও অন্যান্য বৈরী কর্মকাণ্ডের প্রবণতা বেড়েছে।
ব্রাতিস্লাভাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবসেক চলতি বছরের শুরুতে জানায়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইউরোপের বিরুদ্ধে রাশিয়ার ১৫১টি কর্মকাণ্ড তারা শনাক্ত করেছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব ঘটনার মধ্যে হত্যাচেষ্টা, অগ্নিসংযোগ, নাশকতা, ভাঙচুর ও জনঅস্থিরতা সৃষ্টির মতো কর্মকাণ্ড রয়েছে।
পোল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, এস্তোনিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে এসব ঘটনার ধরন বিশ্লেষণ করে গ্লোবসেকের গবেষকেরা বলেছেন, ইউক্রেনকে সমর্থন করাই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য বলে জোরালোভাবে ধারণা করা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে ইউরোপীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার কথিত কর্মকাণ্ডের মধ্যে হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, প্রভাব বিস্তার, সাইবার হামলা এবং আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। রেলপথ ও সমুদ্রতলের কেবলে হামলার ঘটনাও এর মধ্যে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রুসির বিশ্লেষক এমিলি ফেরিস বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে এসব কর্মকাণ্ডের ঘনত্ব ও পরিসর উভয়ই বেড়েছে। তার মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করা এবং ইউক্রেনকে সমর্থনের জন্য নেটোর ব্যয় বাড়ানো মস্কোর অন্যতম লক্ষ্য। তবে একই সঙ্গে এসব কর্মকাণ্ডকে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ের নিচে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
গ্লোবসেকের সহযোগী ফেলো ম্যাকসিম বেজনোসিউকের মতে, রাশিয়া নেটোর প্রস্তুতি পরীক্ষা করছে, মিত্রদের মধ্যে রাজনৈতিক ও আইনি বিভাজন কাজে লাগাচ্ছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।
তার ভাষায়, ইউক্রেনে বিপুল হতাহতের চাপ, সোভিয়েত আমলের সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়, অর্থনৈতিক চাপ এবং প্রচলিত সামরিক শক্তি দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্তমূলক সাফল্য অর্জনের কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই রাশিয়া ইউরোপে হাইব্রিড কর্মকাণ্ড আরও বাড়িয়েছে।
রাশিয়া জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইউক্রেনে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ক্ষেত্রে নেটোর গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্র পোল্যান্ডও রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট নাশকতার অভিযোগ তুলেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সরবরাহ ব্যবহৃত একটি রেলপথে বিস্ফোরণের ঘটনাকে পোলিশ সরকার ‘অভূতপূর্ব নাশকতা’ হিসেবে বর্ণনা করে এবং এর পেছনে রাশিয়ার সম্পৃক্ততার দিকে ইঙ্গিত করে। মস্কো এ অভিযোগও অস্বীকার করেছে।
ঘটনার পর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় পোল্যান্ড সর্বোচ্চ ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটি পূর্ব সীমান্তে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তিও করে।
জার্মানি, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, নরওয়ে, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যেও সামরিক স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর কাছে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা ড্রোন তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে।
তবে হাইব্রিড কর্মকাণ্ড শুধু ভৌত নাশকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইউরোপীয় সরকারগুলো রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট, বানোয়াট প্রতিবেদন এবং এআই-নির্মিত কনটেন্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও এনেছে।
ফ্রান্সে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট সন্দেহজনক প্রভাব বিস্তার অভিযানের তদন্ত হয়েছে। জার্মানিতেও আঞ্চলিক নির্বাচনের আগে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মানুষের আস্থা দুর্বল করার চেষ্টা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
বেজনোসিউকের মতে, এসব প্রচেষ্টার লক্ষ্য বিপুলসংখ্যক ভোটারকে সরাসরি প্রভাবিত করা নয়; বরং বিদ্যমান বিভাজনকে কাজে লাগানো, রাশিয়ার সমালোচক রাজনীতিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়ানো এবং ধীরে ধীরে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা ক্ষয় করা।
প্রক্সি ব্যবহারে দায় নির্ধারণ কঠিন
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়া তার কথিত বৈরী কর্মকাণ্ড থেকে সরাসরি দূরত্ব বজায় রাখার নতুন কৌশলও গ্রহণ করেছে।
ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপের বিভিন্ন সরকার রুশ কূটনৈতিক মিশনগুলোকে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহারের অভিযোগ তোলে। কূটনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে গোয়েন্দা কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে বহু কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়।
এরপর রাশিয়া ইউরোপের পাল্টা গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে তৃতীয় দেশের নাগরিকদের অনলাইনে নিয়োগের দিকে বেশি ঝুঁকেছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
এমিলি ফেরিস বলেন, এসব কর্মকাণ্ড এখন আর মূলত দূতাবাসের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে না; বরং প্রক্সিদের ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে কাজ করা বিদেশি নাগরিকদের সম্পৃক্ততার কারণে কোনো ঘটনার সঙ্গে ক্রেমলিনের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে।
গ্লোবসেকের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট হামলায় জড়িত বলে শনাক্ত ১৭২ জনের প্রায় ৯৫ শতাংশের রুশ গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।
জানুয়ারিতে লিথুয়ানিয়া রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যে, ২০২৪ সালে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর জন্য রেডিও ওয়েভ স্ক্যানার সরবরাহকারী একটি কারখানায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় স্পেন, কলম্বিয়া, কিউবা, রাশিয়া ও বেলারুশের ছয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
‘শ্যাডো ফ্লিট’ নিয়েও উদ্বেগ
রাশিয়ার কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ নিয়েও ইউরোপে উদ্বেগ বাড়ছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রুশ তেল পরিবহনের জন্য বিদেশি পতাকা ও বিদেশে নিবন্ধিত কোম্পানির অধীনে পরিচালিত ট্যাংকার ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজের এই নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
২০২৪ সাল থেকে এসব জাহাজের সঙ্গে সমুদ্রতলের কেবল ও পাইপলাইনের ক্ষতি এবং বাল্টিক ও উত্তর সাগরে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর কাছে নজরদারি ও ড্রোন তৎপরতার মতো ঘটনার যোগসূত্রের অভিযোগ উঠেছে। রাশিয়া এসব অভিযোগও অস্বীকার করেছে।
কী পদক্ষেপ নিতে পারে ইউরোপ?
বেজনোসিউকের মতে, নেটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে শুধু রাশিয়ার হাইব্রিড হুমকির বিষয়ে বিবৃতি দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নাশকতাকে রাষ্ট্রীয় বৈরী কর্মকাণ্ড হিসেবে কীভাবে সংজ্ঞায়িত ও মোকাবিলা করা হবে, তা আরও স্পষ্ট করতে হবে।
তিনি রুশ কূটনীতিকদের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ, ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা এবং নির্বাচনের আগে গণমাধ্যম ও তথ্য-সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন।
নেটো ও ইইউভুক্ত দেশগুলো ইতোমধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা জোরদার এবং রাশিয়া-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে। তবে হাইব্রিড হুমকির ধরন দ্রুত বদলে যাওয়ায় আরও সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।
২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের স্যালিসবারিতে সাবেক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়েকে হত্যাচেষ্টার পর ইউরোপীয় দেশগুলোর সমন্বিত প্রতিক্রিয়াকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন ফেরিস। ওই সময় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ বিপুলসংখ্যক রুশ কূটনীতিক বহিষ্কার করেছিল, যা রুশ গোয়েন্দা নেটওয়ার্ককে ব্যাহত করতে কার্যকর হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন।
সরাসরি যুদ্ধ নয়, তবে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার নেটোর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা এখনও কম। ফেরিসের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও রাশিয়ার সামরিক বাহিনী পুনর্গঠনে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
তবে বেজনোসিউক মনে করেন, নেটোর পূর্ব সীমান্তে সীমিত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অস্পষ্ট রাজনৈতিক-সামরিক উসকানি আরও সম্ভাব্য পরিস্থিতি। তার ধারণা, অন্তত ২০২৭ সাল পর্যন্ত রাশিয়া নাশকতা, সাইবার অভিযান ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের মতো কৌশলের মাধ্যমে নেটোর ওপর চাপ বাড়াতে পারে।
কম খরচে এবং দ্রুত দায় নির্ধারণ করা কঠিন—এমন কর্মকাণ্ড যদি বড় ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে, তাহলে ইউরোপের দুর্বলতা ও সীমারেখা পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মস্কোর প্রণোদনা থাকবে বলেও মনে করেন তিনি।
তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড অনিচ্ছাকৃতভাবে বড় সংঘাতের জন্ম দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দুই বিশেষজ্ঞ। দুর্ঘটনা, বেসামরিক হতাহত বা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল কোনো ঘটনা পরিস্থিতিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, যা কোনো পক্ষই চায় না।
এ কারণে রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রাখার ওপর জোর দিয়েছেন ফেরিস। তার মতে, নেটো-রাশিয়া কাউন্সিলের মতো যোগাযোগের কাঠামো পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। এর সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২২ সালের জানুয়ারিতে।
ফেরিসের ভাষায়, রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার উদ্দেশ্য তোষণ নয়; বরং উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ভুল বোঝাবুঝি থেকে সম্ভাব্য প্রাণহানি ও বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি কমানো।


