logo

খারগ দ্বীপে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

খারগ দ্বীপে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে খারগ দ্বীপে আরও কঠোর হামলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমনটি দাবি করেছেন। 

হামলা-পরবর্তী দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভদ্রতার খাতিরে আমি দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অবাধ ও নিরাপদ পথে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করে, আমি অবিলম্বে আমার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করব।

তিনি শর্ত দিয়েছেন, তেহরানকে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করা বন্ধ করতে হবে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের কোনো আত্মরক্ষার ক্ষমতা নেই এবং এই ‘সন্ত্রাসী শাসনামলের’ উচিত অস্ত্র ত্যাগ করে যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করা।

এদিকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনো হামলা হলে তারা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতাকারী তেল কোম্পানিগুলোর স্থাপনায় হামলা চালাবে। 

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলার সময় খারগ দ্বীপে ১৫টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হামলাগুলো মূলত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, নৌঘাঁটি এবং বিমানবন্দর স্থাপনাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা গত একদিনে ইরানের ২০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর বিপরীতে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও হিজবুল্লাহ সম্মিলিতভাবে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই উত্তেজনার মাঝে ইরাকে একটি মার্কিন জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৬ জন ক্রু নিহত হয়েছেন এবং সৌদি আরবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৫টি মার্কিন বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।