logo

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সোনালি যুগ’ শুরু হয়ে গেছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সোনালি যুগ’ শুরু হয়ে গেছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে এসেছে বলে দাবি করে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘সোনালি যুগ’ শুরু হয়ে গেছে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসে তার বার্ষিক স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। খবর আল-জাজিরার

প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার আগে দেশজুড়ে প্রচারণা সফরে তিনি যে বার্তা বারবার দিয়েছেন, সেই একই সুরে বক্তব্য শুরু করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমাদের জাতি ফিরে এসেছে—আগের চেয়ে বড়, ভালো, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হয়ে।

নির্বাচনি প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘সোনালি যুগ’ শুরু হয়ে গেছে। 

এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি এবং তার প্রেসিডেন্সিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম বড় পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

ইতিহাস বদলে দেওয়া পরিবর্তন

ট্রাম্প জানান, হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার সময় তিনি একটি কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন। তবে দায়িত্ব নেওয়ার এক বছরের মধ্যেই দেশ ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তার ভাষায়, ‘মাত্র এক বছরে আমরা এমন এক পরিবর্তন এনেছি, যা আগে কখনও দেখা যায়নি—এটি ইতিহাস বদলে দেওয়া এক পরিবর্তন।’

ট্রাম্প তার ভাষণে অভিবাসন নীতি, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং অপরাধ পরিস্থিতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

ভাষণে তিনি বলেন, আজ আমাদের সীমান্ত নিরাপদ, আমাদের আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে। মূল্যস্ফীতি দ্রুত কমছে, মানুষের আয় বাড়ছে। অর্থনীতি আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী, আমাদের শত্রুরা ভয় পাচ্ছে। আমাদের সেনাবাহিনী ও পুলিশ শক্তিশালী, আর আমেরিকা আবার সম্মান পাচ্ছে।

সীমান্ত বন্ধের ওপর জোর

ট্রাম্প তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত বন্ধ করার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ সীমিত করার নীতি নিয়ে কথা বলেন। তবে তার ব্যাপক অভিবাসী বহিষ্কার কর্মসূচির বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি, যা রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত। তিনি একই সঙ্গে ‘বৈধ’ অভিবাসন রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেন, যদিও সম্প্রতি ৭৫টি দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ট্রাম্প দাবি করেন, তার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দ্রুত উন্নতি করছে। মূল্যস্ফীতি কমছে এবং মানুষের আয় বেড়েছে।

অপরাধ পরিস্থিতি নিয়েও ট্রাম্প ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, দেশজুড়ে অপরাধের হার কমে গেছে।