আরও চার দেশের ফ্লাইট স্থগিত

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর পরপরই দু’দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নিজেদের নিরাপত্তায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট চলাচল বাতিল ঘোষণা করেছে বিমান সংস্থাগুলো।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতকে কেন্দ্র করে কাতারের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় কাতার এয়ারওয়েজ তাদের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
টার্কিশ এয়ারলাইন্সও একাধিক গন্তব্যে ফ্লাইট বাতিল করেছে। জানা গেছে, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান এবং জর্দানে ফ্লাইট চলাচল বাতিল করেছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স।
এদিকে, সিরিয়ার সিভিল এভিয়েশন এক ঘোষণায় জানিয়েছে, দক্ষিণাংশের এয়ার করিডোর ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কাতার, কুয়েত, সৌদি আরবও তাদের আকাশসীমা বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
এছাড়া চলমান পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে এয়ার ইন্ডিয়া।
এর আগে, স্থানীয় সময় শনিবার ৯টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ছয়টি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দপ্তরের কাছাকাছি এলাকায় আঘাত হানে। তবে, হামলার আগেই খামেনিকে ‘নিরাপদ স্থানে’ সরিয়ে নেওয়া হয়।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পাল্টায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরানও। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ শুরু হয়েছিল। কিন্তু শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।