ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনে প্রতিক্রিয়া জানাল চীন

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদে নিয়োগ পেয়েছেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। কিন্তু তার নিয়োগ নিয়ে নাখোশ বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্বস্তির মধ্যে এবার প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছে আরেক পরাশক্তি ও ইরানের কৌশলগত মিত্ররাষ্ট্র চীন।
সোমবার (৯ মার্চ) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখমাত্র গুও জিয়াকুন জানান, বেইজিং এই বিষয়টিকে ইরানের সংবিধানের অধীনে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে। এ খবর জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।
চীন বলেছে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নিয়োগ দেওয়া তেহরানের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়। গুও জিয়াকুন বলেন, ‘এটি ইরানের সংবিধানের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত’।
চীনের এই মন্তব্য আসে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আগের বক্তব্যের পর। তিনি ইরানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান এবং বাইরে থেকে ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বদলে দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক করেন।
ওয়াং বলেন, “কোনো ‘রঙিন বিপ্লব’ পরিকল্পনা করা বা সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করা জনসমর্থন পাবে না।”
এর আগে, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে মোজতবা খামেনির নাম। তিনি সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় সন্তান। বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দেশটির ৮৮ ধর্মীয় বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ ভোটাভুটির মাধ্যমে মোজতবা খামেনিকে এই পদে নির্বাচিত করে। নির্বাচনের পর সংস্থাটি নতুন নেতার প্রতি সবাইকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।