logo

ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প

ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যা চাইবে, তাই পাবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (২৪ মে) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর উপস্থিতিতে দিল্লিতে আয়োজিতে এক অনুষ্ঠানে ফোনে সরাসরি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বড় ভক্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজ করা হয়েছিল।

রুবিওর উপস্থিতিতে ফোনে ট্রাম্প বলেন, ‘...আপনাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধি হতে হবে, সার্জিও (ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূত)। কিন্তু আমি শুধু সবাইকে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ। তিনি আমার বন্ধু।’

তিনি বলেন, আমরা ভারতের এত কাছাকাছি আগে কখনো ছিলাম না। ভারত আমার ও আমাদের দেশের ওপর শতভাগ ভরসা করতে পারে। তাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন হলে, তারা জানে কাকে ফোন করতে হবে। তারা ঠিক এখানেই ফোন করে। আমরা ভালো করছি। আমরা রেকর্ড গড়ছি।

রুবিওকে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আমাদের একটি রেকর্ডগড়া অর্থনীতি আছে, একটি রেকর্ডগড়া শেয়ার বাজারও আছে। আর ভারত যা চায়, তাই পাবে। এবং আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন অনেক বড় ভক্ত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিদায় নিচ্ছেন। এটা ভালো। বেশ, এখানে কয়েকজন বড় মাপের ব্যক্তি আছেন। যখন মার্কো, সার্জিওর মতো ব্যক্তিরা থাকেন... তখন আপনি বড় মাপের ব্যক্তিদেরই পাচ্ছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি জানি আপনি আমাদের ভালোভাবে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সবাই, আপনাদের সন্ধ্যাটা উপভোগ করুন। আর প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলা এবং তাকে শুভেচ্ছা জানানোটা আমার জন্য সম্মানের। আর তাকে জানাতে চাই যে আমি তার একজন বড় ভক্ত।’

এর আগে, শনিবার সার্জিও ট্রাম্পের পক্ষ থেকে মোদিকে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ জানান।

মার্কো রুবিওর ভারত সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে একটি বড় অভিবাসন নীতি পরিবর্তনের ফলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই নীতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসকারী অনেক অভিবাসীকে নিজ দেশে ফিরে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।

রুবিও রোববার সকালে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একটি বহু প্রতীক্ষিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা হবে ‘উপকারী’, ‘টেকসই’ এবং উভয় দেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাণিজ্য, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।