মালদ্বীপে স্কুবা ডাইভিংয়ে প্রাণ গেল ৫ ইতালীয় পর্যটকের

মালদ্বীপে সমুদ্রের নিচে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে পাঁচ ইতালীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার মালদ্বীপের ভাভু আটুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নিহতরা প্রায় ৫০ মিটার (১৬৪ ফুট) গভীরে ডাইভ দিয়ে গুহা অনুসন্ধানের চেষ্টা করছিলেন।
মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রায় ৬০ মিটার গভীর পানির নিচে একটি গুহা থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি চারজনও একই স্থানে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাদের উদ্ধারে বিশেষ সরঞ্জামসহ ডুবুরি দল পাঠানো হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচ ইতালীয় নাগরিক পানিতে নামেন। পরে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা উপরে না ওঠায় ডাইভিং জাহাজের ক্রুরা তাদের নিখোঁজ হিসেবে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানী মালে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণের ওই এলাকার আবহাওয়া বৈরী ছিল। নৌযান ও জেলেদের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
ইতালির জেনুয়া বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, নিহতদের মধ্যে একজন সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক, তার মেয়ে ও দুই তরুণ গবেষক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি এক্সে দেওয়া বার্তায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
পর্যটকদের কাছে প্রবালদ্বীপ ও সমুদ্রসৈকতের জন্য জনপ্রিয় মালদ্বীপে ডাইভিং ও স্নোরকেলিং দুর্ঘটনা তুলনামূলক খুবই কম। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
গত ডিসেম্বরে মালদ্বীপে স্কুবা ডাইভিংয়ের সময় একজন অভিজ্ঞ ব্রিটিশ নারী ডুবুরির মৃত্যু হয়। তার স্বামীও পাঁচ দিন অসুস্থ থাকার পর মারা যান। এ ছাড়া ২০২৪ সালেও স্নোরকেলিং করতে গিয়ে জাপানের এক পার্লামেন্ট সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল।