কাতারে হামলায় সামর্থ্যের ‘ক্ষুদ্র অংশ’ ব্যবহার করেছি: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, কাতারের রাস লাফান জ্বালানি কমপ্লেক্সে যে হামলা চালানো হয়েছে, তাতে ইরানের সামর্থ্যের 'এক ক্ষুদ্র অংশ' মাত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, 'সংযত থাকার একমাত্র কারণ ছিল উত্তেজনা কমানোর অনুরোধের প্রতি সম্মান দেখানো।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ইরানি অবকাঠামো আবার হামলার শিকার হলে আর সংযম বজায় রাখা হবে না।
যুদ্ধের ইতি টানতে হলে ইরানের বেসামরিক স্থাপনার 'ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও সমাধানের অংশ হিসেবে বিবেচনা' করতে হবে বলে জানিয়ে দেন আরাঘচি।
কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় স্থাপনাটির ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতে ভয়াবহ বিদ্যুৎবিভ্রাট এবং শিল্পোৎপাদন স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
শিল্প তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ তার মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশই কাতার থেকে সংগ্রহ করে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই নির্ভরতা আরও বেশি, প্রায় ৯৯ শতাংশ। অন্যদিকে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ভারত তার প্রয়োজনীয় এলএনজির ৪০ শতাংশের বেশি আমদানি করে কাতার থেকে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা