logo

ট্রাম্প মিত্রদের নিয়ে হতাশ: ন্যাটোপ্রধান

ট্রাম্প মিত্রদের নিয়ে হতাশ: ন্যাটোপ্রধান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর তীব্র সমালোচনার পর মুখ খুলেছেন জোট সংস্থাটির মহাসচিব মার্ক রুট। তিনি বলেছেন, মিত্রদের নিয়ে ট্রাম্প স্পষ্টতই হতাশ। 

স্থানীয় সময় বুধবার (৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পরই বিবৃতিতে এই দাবি করেন তিনি। এ খবর জানিয়েছে আলজাজিরা।

নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রুটে তাদের আলোচনা নিয়ে সিএনএনের সঙ্গে কথা বললেও ট্রাম্প জোট ছেড়ে যাওয়ার কথা বলেছেন কি না, এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

রুট বলেন, আমি বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার করে বলতে চাই। তিনি স্পষ্টতই হতাশ ও ন্যাটোর অনেক মিত্র দেশের ওপরই তার আস্থা। এবং আমি তার যুক্তিটা বুঝতে পারছি।

তিনি আরও বলেন, একইসঙ্গে আমি এই বিষয়টিও তুলে ধরতে পেরেছি যে, ইউরোপীয় দেশগুলোর সিংহভাগই ঘাঁটি স্থাপন, রসদ সরবরাহ, আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

মার্কিন-ইসরায়েল জোট ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ যুদ্ধ চালিয়েছে বলে ন্যাটো মনে করে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ন্যাটোপ্রধান বলেন, না। কারণ, ন্যাটো সবসময় এই অবস্থান নিয়েছে যে পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের এই সক্ষমতাগুলো হ্রাস করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; যাতে ইরান কখনোই এই সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে। এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।

রুটের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনা ছিল অত্যন্ত খোলাখুলি ও স্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান অভিযানের পর বিশ্ব এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে, বৈঠকের পর নিজের ট্রুথ সোশ্যালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ন্যাটোর তীব্র সমালোচনা করে ন্যাটোকে একটি অকার্যকর জোট হিসেবে অভিহিত করেন।

ট্রাম্প তার পোস্টে সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, বিপদের সময় ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি। আমাদের যখন ন্যাটোর সাহায্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, তখন তাদের দেখা পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে যদি আমাদের আবার সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তখনও তারা থাকবে না।

পোস্টে গ্রিনল্যান্ডকে স্মরণ করে ওই অঞ্চলটিকে ‘বাজেভাবে পরিচালিত একটি বড় বরফের টুকরো’ হিসেবে ব্যঙ্গ করেন ট্রাম্প।