logo

বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন হামলা

বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন হামলা

বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৪ মার্চ) একটি ড্রোন বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের লজিস্টিক সাপোর্ট ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে সৌদি আরবে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) কার্যালয়ে ড্রোন হামলা করেছে ইরান। মঙ্গলবার রাতে এ হামলার কথা জানায় ওয়াশিংটন পোস্ট। তাদের খবরে বলা হয়, সৌদি আরবে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়কে লক্ষ্য করে একটি ইরানি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বহু শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

জবাবে ইসরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনিকে হত্যার পর রোববার থেকে হামলার তীব্রতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তেহরান। সৌদি আবর, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১০টি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রে যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ১৭৬ জন শিশুসহ ৭০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ইরানের ‘ট্রু প্রমিজ ৪’ প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রথম দুই দিনে ৬৫০ জনেরও বেশি মার্কিন সামরিক কর্মী নিহত বা আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন। ১২ দিনের সংঘাত শেষে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়। সেই যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনাই এ বছরের সংকটের ভিত গড়ে দেয়।