logo

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল ইইউ

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াল ইইউ

গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের ওপর আরোপিত মানবাধিকার নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ফলে আগামী বছরের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইইউ কাউন্সিল।

বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘এই ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ ও টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণের সরঞ্জাম রপ্তানি। এ ছাড়াও ইরানে এমন সরঞ্জাম রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়নে ব্যবহৃত হতে পারে।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ইইউর নাগরিক ও সংস্থাগুলোর জন্য ‘তালিকাভুক্ত ব্যক্তি এবং সংস্থাগুলোকে তহবিল প্রদান করা নিষিদ্ধ’। একজন মৃত ব্যক্তিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর এই তালিকায় ‘মোট ২৬২ ব্যক্তি এবং ৫৩টি সংস্থা’ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এর আগে, ২০১১ সালে ইরানে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইইউ। তখন থেকে প্রতি বছর এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ছেই। ২০২২ সাল থেকে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে ইইউ একাধিক নিষেধাজ্ঞা প্যাকেজ গ্রহণ করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ ব্যাপকভাবে বাড়িছে।

২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি ইইউর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কালাস একটি বিবৃতি জারি করেন। সেখানে তিনি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতা, নির্বিচার আটক ও ভীতি প্রদর্শনের নিন্দা জানান। তিনি মৌলিক অধিকার প্রয়োগের জন্য অন্যায়ভাবে আটক সকল ব্যক্তিকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া কাজা কালাস ইরান কর্তৃপক্ষকে তাদের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা মেনে চলতে ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সংঘবদ্ধ হওয়ার স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সম্পূর্ণরূপে সমুন্নত রাখতে অনুরোধ করেন। সেইসঙ্গে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পুনরুদ্ধারসহ তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সূত্র: আলজাজিরা