logo

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ

তেলআবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিতে ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার মধ্যেই এসব বিস্ফোরণ ঘটে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রধান, সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে আঘাত হেনেছে। তবে, এ বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে হঠাৎ ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বহু শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলাকালে এই হামলা চালানো হয়।

হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

জবাবে ইসরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনিকে হত্যার পর রোববার থেকে হামলার তীব্রতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তেহরান। সৌদি আবর, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১০টির বেশি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ শিশুসহ এক হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় ছয় মার্কিন সেনা এবং ১১ ইসরায়েলি নিহত হন।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সেসময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন।

১২ দিনের সংঘাত শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়। সেই যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনাই এ বছরের সংকটের ভিত গড়ে দেয়।