logo

৩৮ বছর আগে থেকেই খার্গ দ্বীপের ওপর নজর ট্রাম্পের

৩৮ বছর আগে থেকেই খার্গ দ্বীপের ওপর নজর ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্পের খার্গ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি পুনরায় এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপটি দখলের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তবে বিবিসি বলছে, হোয়াইট হাউসে আসার কয়েক দশক আগে থেকেই এই দ্বীপটি ট্রাম্পের নজরে ছিল।

১৯৮৮ সালে ট্রাম্প যখন আমেরিকার আলোচিত রিয়েল এস্টেট টাইকুন ও সেলিব্রিটি ব্যবসায়ী ছিলেন, তখন দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেছিলেন, ‘ইরান ইরাকের সাথেই পেরে উঠছে না, অথচ তারা যুক্তরাষ্ট্রকে নাচিয়ে ছাড়ছে। ইরানের মুখোমুখি হওয়াটা পুরো বিশ্বের জন্যই মঙ্গলজনক হতো। আমি হলে ইরানের খার্গ দ্বীপ দখল করে নিতাম।’

সম্প্রতি এই বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থানে বেশ কিছু নাটকীয় মোড় লক্ষ্য করা গেছে। গত ১৩ মার্চ ফক্স নিউজ রেডিওতে এক সাক্ষাৎকারে ১৯৮৮ সালের সেই মন্তব্যের কথা তোলা হলে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয় সুরে বলেন, এই দ্বীপ দখল করা এখন তার ‘অগ্রাধিকার তালিকায়’ নেই। তবে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি সিদ্ধান্ত বদলে ফেলতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একই দিনে ট্রুথ সোশ্যালে করা এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তার নির্দেশিত বোমা হামলায় খার্গ দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি জানান, দ্বীপের তেল অবকাঠামো এখন পর্যন্ত রক্ষা করা হলেও, ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে কোনো বাধা সৃষ্টি করে, তবে তিনি সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন।

এরই মধ্যে আজ সোমবার (৩০ মার্চ) প্রকাশিত ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে ট্রাম্প আবারও ধোঁয়াশা রেখে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘হয়তো আমরা খার্গ দ্বীপ দখল করব, হয়তো করব না।’

তবে তিনি এটিও স্বীকার করেছেন যে, দ্বীপটি দখলে নেওয়ার অর্থ হলো সেখানে দীর্ঘ সময়ের জন্য মার্কিন উপস্থিতি নিশ্চিত করা।