ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা

দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রওনা দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। দুই দেশের প্রতিনিধি দল পাকিস্তান গেলেও তাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হবে কি না তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
একদিকে ইরানি গণমাধ্যম দাবি করছে, দুই দেশের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবেন। কিন্তু সরাসরি তাদের মধ্যে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নাই। তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও হোয়াইট হাউস বলছে অন্য কথা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই।
আইআরআইবির তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদ কেবল দুই পক্ষের মধ্যে একটি ‘সেতুবন্ধন’ হিসেবে কাজ করতে পারে। তাদের কাজ হতে পারে সংঘাত নিরসনে ইরানের বিবেচনাধীন বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
তবে এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছিল, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইসলামাবাদে যাবেন। ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছে।
ইতোমধ্যে আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি দূতাবাস জানিয়েছে, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করার পরিকল্পনা করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে তাদের বার্তায় দুই দেশের সরাসরি বৈঠক নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ পাকিস্তানের একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করবে। যদি এই বৈঠকগুলো সফল হয়, তবেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রোববার সরাসরি বৈঠকে বসবেন।
সূত্র: আলজাজিরা, এবিসি, বিবিসি