১১৭তম জন্মদিন পালন করলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি এথেল ক্যাটারহ্যাম তার ১১৭তম জন্মদিন উদ্যাপন করেছেন। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের সারে কাউন্টির লাইটওয়াটারে অবস্থিত ‘হলমার্ক লেকভিউ কেয়ার হোম’-এ পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে বিশেষ এই দিনটি পালন করেন তিনি।
২০২৫ সালের এপ্রিলে ১১৬ বছর বয়সে ব্রাজিলের স্টিটার ইনা কানাবারো লুকাসের মৃত্যুর পর এথেল ক্যাটারহ্যাম বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি পান। ১৯০৯ সালে জন্ম নেওয়া এই ব্রিটিশ নাগরিক রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের শাসনকালের সর্বশেষ জীবিত প্রজা।
শতবর্ষী এই মানবী টাইটানিক জাহাজের সলিলসমাধি, দুটি বিশ্বযুদ্দ এবং রুশ বিপ্লবের মতো ইতিহাসের নানা ঐতিহাসিক মাইলফলক ও মোড় প্রত্যক্ষ করেছেন। এ ছাড়াও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, তিনি ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে কোভিড-১৯ রোগ জয় করে বেঁচে ফেরা সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন।
ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারে জন্মগ্রহণকারী এথেল ১৯২৭ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রিটিশ ভারতে আসেন এবং এক সামরিক পরিবারে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি হংকং ও জিব্রাল্টারেও বসবাস করেছেন। ৯৭ বছর বয়সেও গাড়ি চালাতেন এথেল।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। তবে তার স্বামী নরম্যান ১৯৭৬ সালে মারা যান এবং দুই কন্যাও তার আগেই পরলোক গমন করেন। তার দীর্ঘ জীবনের রহস্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি মানসিক ইতিবাচকতা রক্ষা করা এবং চরম উত্তেজনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বয়সে বেঁচে থাকার রেকর্ড এখনও ফ্রান্সের জেন ক্যালমেন্টের দখলে। এই নারী ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা যান।



