logo

ফিফা ‘শান্তি পুরস্কার’ পাওয়া প্রেসিডেন্ট ধ্বংস করলেন স্টেডিয়াম

ফিফা ‘শান্তি পুরস্কার’ পাওয়া প্রেসিডেন্ট ধ্বংস করলেন স্টেডিয়াম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে সমন্বিত হামলায় ইরানের একটি ফুটবল স্টেডিয়াম প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অথচ গত বছরের ডিসেম্বরে ফিফা ‘শান্তি পুরস্কার’ লাভ করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নির্দেশে চালানো হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় গোটা ফুটবল স্টেডিয়াম। গত বৃহস্পতিবার রাজধানী তেহরানের আজাদি ইনডোর স্টেডিয়ামে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আজ শনিবার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। 

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোশ্যাল মিডিয়া আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের বিধ্বস্ত ছবি শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, “এটি তেহরানের আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্স, একটি ফুটবল স্টেডিয়াম। সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। অথচ দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফিফা ‘শান্তি পুরস্কার’ দিয়ে ভূষিত করেছে।”

ধারণা করা হচ্ছে, এটি আজাদি ইনডোর স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে প্রায় ১২ হাজার মানুষ খেলা দেখতে পারেন। এটি ইরানের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ভেন্যু আজাদি স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের অংশ।

স্টেডিয়ামে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ব্যাপারে ফিফা বা আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কোনো মন্তব্য না আসায় তিনি প্রশ্ন তোলেন।

ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় হোয়াইট হাউসে ফেরার আগে নির্বাচনি প্রচারণায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তিনি আবারও প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ বা সংঘাত থেকে দূরে রাখবেন। এমনকি তার মূল নীতি হবে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’। যদিও নির্বাচিত হওয়ার এক বছরে বেশ কয়েকটি দেশে হানা দিয়েছে তার প্রশাসন।

তবুও বারবার নিজেকে সংঘাত বন্ধের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে প্রচার করে বেরিয়েছেন। মিত্র পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটির দেশের মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নিজের নাম সুপারিশও করিয়েছেন বলে খবর। যদিও এ বিষয়ে শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তিনি যে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে জাহির করে বিশ্বব্যাপী ঢাকঢোল পিটিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলাই যায়।

সূত্র: আলজাজিরা