ইসরায়েলিদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গ্রিসে দ্বীপ কেনার প্রস্তাব

ইসরায়েলিদের জন্য ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হিসেবে গ্রিসে দ্বীপ কেনার প্রস্তাব ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা এই প্রস্তাব দেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানায়, ‘ইহুদি ন্যাশনাল ফান্ডের (জেএনএফ) সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিমনুতার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আব্রি স্টেইনার এ প্রস্তাব দেন। তার মতে, যুদ্ধ বা বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি নাগরিকদের সরিয়ে নিতে গ্রিসের জনশূন্য দ্বীপগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।
গত সপ্তাহে এক সভায় স্টেইনার বলেন, বিকল্প আবাসের জন্য এসব দ্বীপ কেনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। তিনি বলেন, ‘গ্রিসে প্রায় ৪০টি বসবাসের উপযোগী জনশূন্য দ্বীপ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।’
ইসরায়েলি দৈনিক মারিভকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টেইনার বলেন, ‘ইরানের কাছে বিপুল সংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকার খবর থেকেই আমার মাথায় এই ধারণা আসে।’
তবে প্রস্তাবটি পর্ষদ সভায় সমর্থন পায়নি। অন্য সদস্যরা একে অযৌক্তিক বলে উড়িয়ে দেন। তাদের মতে, জেএনএফের আইনি এখতিয়ার কেবল ইসরায়েলের ভেতরে জমি কেনার মধ্যে সীমিত। বিদেশে জমি কেনা বা সেখানে অর্থ ব্যয়ের অনুমতি সংস্থাটির নেই।
এর আগে ২০১২ সালেও ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জন্য গ্রিক দ্বীপ লিজ নেওয়ার প্রস্তাব উঠেছিল, যা পরে বাতিল করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম। তবে এটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ে চলমান উদ্বেগেরই ইঙ্গিত দেয়।
হিমনুতা ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর পশ্চিম তীরে জমি কেনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়।