logo

এক দোকান থেকেই উদ্ধার ৩০ মরদেহ

এক দোকান থেকেই উদ্ধার ৩০ মরদেহ

পাকিস্তানের করাচির গুল প্লাজা নামে একটি বহুতল শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে। ভবনের একটি দোকান থেকেই কমপক্ষে ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) এসব মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

করাচি দক্ষিণের ডেপুটি আইজি সৈয়দ আসাদ রাজা জানিয়েছেন, মেজানাইন ফ্লোরে থাকা ‘দুবাই ক্রোকারি’ নামের একটি দোকান থেকে ৩০ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ৩০ জন ব্যক্তি কাঁচের দোকানে নিজেদের তালাবদ্ধ করেছিলেন জীবন রক্ষার জন্য। তবে তারা কেউই বাঁচতে পারেননি।

তিনি বলেন, আগের দিন উদ্ধারকর্মীরা আরও তিনটি মরদেহ পান। এতে প্রাথমিকভাবে মৃতের সংখ্যা ২৮ থেকে বেড়ে ৩১ হয়েছে। তবে আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানসহ পুরো ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জন পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃতের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যাবে না।

দোকানটির মালিক সুলেমান জানিয়েছেন, তার দোকান থেকে ১৪টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার চাচাতো ভাই, কর্মচারী ও গ্রাহকরা দোকানের মধ্যে ছিলেন। আটকা অবস্থাতেই তাদের মৃত্যু হয়।

করাচির পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ বলেছেন, দুইটি দোকান থেকে ২১টি দেহের অবশিষ্টাংশ সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করতে পারি না এগুলো ২১টি দেহ কি আরও বেশি ব্যক্তির অবশিষ্টাংশ। আজ সকাল থেকে শুধু দেহের অবশিষ্টাংশই হাসপাতালে আনা হয়েছে।

করাচি কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি বলেন, তদন্তটি জটিল হয়ে গেছে। তিনি বলেন, গুল প্লাজা ঘটনায় কোনো একক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যাবে না।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও ৮৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। যদিও ধ্বংসস্তূপ থেকে কিছু দেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আগুন লাগা ওই ভবনে এখনও উদ্ধার ও অনুসন্ধান চলমান আছে।

অতিরিক্ত আইজি আযাদ খান জানান, ‘এখন পর্যন্ত গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডে সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’