logo

ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছিল জেপিমরগ্যান

ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছিল জেপিমরগ্যান

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির হামলার এক মাসেরও কম সময় পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দিয়েছিল মার্কিন ব্যাংকিং জায়ান্ট জেপিমরগ্যান চেজ। নতুন প্রকাশিত আদালত নথিতে উঠে এসেছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঠানো চিঠির মাধ্যমে ট্রাম্প ও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে এই সিদ্ধান্ত জানায় বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংকটি। খবর রয়টার্সের

বিষয়টি সামনে এসেছে ট্রাম্পের করা ৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলার প্রেক্ষাপটে যেখানে ট্রাম্প ব্যাংক ও এর প্রধান নির্বাহী জেমি ডাইমনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের অভিযোগ তুলেছেন।

নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে জেপিমরগ্যান ট্রাম্প ও ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, তাদের হিসাব বন্ধ করা হবে। চিঠিতে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে ব্যাংকটি বলেছে, কখনও কখনও তারা সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে কোনো গ্রাহকের স্বার্থ আর জেপিমরগ্যান প্রাইভেট ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখায় সুরক্ষিত হচ্ছে না।

২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে হামলার পর একাধিক প্রতিষ্ঠান তার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করে। এর মধ্যে ছিল দুটি আইন সংস্থা, যারা ট্রাম্প ও তার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করত, এবং পিজিএ অব আমেরিকা—যারা নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্পের গলফ ক্লাব থেকে ২০২২ সালের পিজিএ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন বাতিল করে।

জেপিমরগ্যানের এক মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে আগে বলা হয়েছিল, ট্রাম্পের মামলা ভিত্তিহীন।

অন্যদিকে ট্রাম্পের আইনজীবী দল বলেছে, এই চিঠি প্রকাশ ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির পক্ষে বড় স্বীকারোক্তি।’ তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাংকটি রাজনৈতিক চাপে ট্রাম্প ও তার পরিবারের হিসাব ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ও বেআইনিভাবে’ বন্ধ করেছে, যার ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ট্রাম্পের।

জেপিমরগ্যান বর্তমানে মামলাটি ফ্লোরিডার মিয়ামি ফেডারেল আদালত থেকে নিউইয়র্কে স্থানান্তরের আবেদন জানিয়েছে। তাদের দাবি, এই বিরোধের সঙ্গে নিউইয়র্কের সম্পর্ক বেশি ঘনিষ্ঠ।