জেরুজালেমে ধর্মীয় উপাসনার ওপর ইসরায়েলি বিধি-নিষেধের নিন্দা তুরস্কের
জেরুজালেমে ধর্মীয় উপাসনার ওপর ইসরায়েলি বিধি-নিষেধের নিন্দা জানিয়েছে তুরস্কসহ আট দেশ। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপগুলো ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি।
এর আগে তুরস্ক, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অধিকৃত জেরুজালেমে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের উপাসনার স্বাধীনতার ওপর ইসরায়েলের আরোপিত অব্যাহত বিধিনিষেধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এসব বিধি-নিষেধের মধ্যে আল-আকসা মসজিদে মুসলিম মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
তুরস্কসহ আট দেশ জানিয়েছে, জেরুজালেমের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের পবিত্র স্থানগুলোতে আইনি ও ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা ‘পরিবর্তন’ করার যে কোনো ইসরায়েলি প্রচেষ্টার নিন্দা করা হবে। আমরা এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করছি।
সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ইসরায়েলের এই অব্যাহত পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনসহ আন্তর্জাতিক আইন এবং বিদ্যমান আইনি ও ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থার একটি চরম লঙ্ঘন। এটি বিভিন্ন উপাসনালয়ে অবাধ প্রবেশের অধিকারের ওপরও একটি হস্তক্ষেপ।’
তারা আরও বলেন, জেরুজালেমে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে গৃহীত অবৈধ ও বিধিনিষেধমূলক ইসরায়েলি পদক্ষেপগুলো প্রত্যাখ্যান করছি। বিশেষ করে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের জন্য চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকারে অবাধে প্রবেশে বাধা দেওয়াও নিন্দনীয় বিষয়।