logo
Advertisement

সৌদির জন্য এফ-৩৫ অনুমোদন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘ক্ষতিপূরণ’ চায় ইসরায়েল

সৌদির জন্য এফ-৩৫ অনুমোদন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘ক্ষতিপূরণ’ চায় ইসরায়েল
উড্ডয়নরত এফ-৩৫ স্টিলথ যুদ্ধবিমান। ছবি: ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার

সৌদি আরবের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদনের পর ওয়াশিংটনের কাছে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বা ‘ক্ষতিপূরণ’ চাইছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়ালা শুক্রবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আগে যেসব অস্ত্র ও সামরিক ব্যবস্থা অনুমোদন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, এবার সেগুলো কেনার জন্য ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন করতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের সামরিক চাহিদা শুধু উন্নত যুদ্ধবিমান ও পরবর্তী প্রজন্মের স্টেলথ প্রযুক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মহাকাশভিত্তিক অস্ত্র এবং শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম অত্যাধুনিক প্রতিরোধী বিমান তৈরি ও উৎপাদনের বিষয়ও তাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা যেসব অস্ত্র চাইতে পারেন, তার মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী বাংকার-ধ্বংসকারী গোলাবারুদ এবং পাথুরে পাহাড়ের গভীরে ভূগর্ভে কাজ করতে সক্ষম বিভিন্ন সামরিক ব্যবস্থা।

ওয়ালা বলেছে, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ চুক্তির পর ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত সুবিধা আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সৌদি আরবের কাছে সম্ভাব্য ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। চুক্তির আওতায় ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির পাশাপাশি প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এফ১৩৫-পিডব্লিউ-১০০ মডেলের ৪৯টি ইঞ্জিন, ক্রিপ্টোগ্রাফিক সরঞ্জাম, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং রসদ ব্যবস্থাও রয়েছে।

চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে সৌদি আরব হবে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সংগ্রহকারী প্রথম আরব দেশ। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধবিমান পরিচালনাকারী একমাত্র দেশ ইসরায়েল।

এদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন। সৌদি আরব ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সমর্থন করলেও ইসরায়েল তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।