ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান

ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
ইসরায়েলের স্থানীয় সময় রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ঘটেছে এ হামলা। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, ইরান থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কিছুক্ষণ আগে বলেছে যে, শনিবার (৬ জুন) বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে প্রাণঘাতী হামলার পর আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের দিকে সম্ভাব্য গোলাবর্ষণের আশঙ্কায় তারা ‘হাই অ্যালার্ট’ বা ‘উচ্চ সতর্কতায়’ রয়েছে।
আইআরজিসির বরাতে জানা গেছে, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) হামলার জবাব দিতে উত্তর ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর হাইফা ও উত্তর ইসরায়েলের অন্যান্য এলাকায় সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, এ পর্যন্ত ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ করা হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসিন রেজায়ি বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান বারবার বলেছে যে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন সহ্য করবে না। আজ রাতে আমরা আগ্রাসনকারীদের জবাব দিলাম।
তিনি আরও বলেন, এ জবাব শুধুমাত্র একটি সতর্কবার্তা। অশুভ শক্তি যদি এই সতর্কবার্তা আমলে না নেয়, পরবর্তী আঘাত হবে আরও ব্যাপক এবং এজন্য আগ্রাসনকারীদের চড়া মূল্য দিতে হবে।
অন্যদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থি রাজনীতিবিদ এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গিভর এক এক্সবার্তায় বলেছেন, তেহরানকে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে।


