logo

আরও একটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

আরও একটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

অবরোধের অংশ হিসেবে আরও একটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে যুক্তেরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গাইডেড মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা গত রোববার ইরানের পতাকাবাহী এম/টি স্ট্রিম জাহাজটিকে থামিয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, জাহাজটি ইরানি বন্দরে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে সেন্টকম। 

দুইটি ছবি জুড়ে দিয়ে বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’ জানিয়েছে, ইরানি পতাকাবাহী এই অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মালাক্কা প্রণালিতে অবস্থান করছিল। 

এর আগেও ‘ম্যাজেস্টিক এক্স’ এবং ‘তিফানি’ নামে দুটি জাহাজ আটক করা হয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমুদ্রে জলদস্যুতার অভিযোগ তুলেছিল।

আলোচনার টেবিলে নতুন প্রস্তাব

এদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে নতুন করে প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে এই প্রস্তাবটি যাচাই করছেন। তবে ট্রাম্প প্রথাগত জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনএসসি)-এর বদলে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছেন। 
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা একে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন কারণ নিরাপত্তা কাউন্সিলের মতো এখানে প্রতিরক্ষা সচিব বা বড় সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়।

ইরানের শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনা পুনরায় শুরু করার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাকে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান জানিয়েছে, তারা বিষয়টি বিবেচনা করছে তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনো জবাব পায়নি।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, তারা পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন কৌশল ও চুক্তিতে আগ্রহী। তবে তার আগে তেহরান বর্তমান পরিস্থিতি তথা যুদ্ধের অবসান চায়। তেহরান মূলত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা চাইছে যে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর আর কোনো হামলা চালানো হবে না।

সূত্র: আল জাজিরা