logo

হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য বন্ধ: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য বন্ধ: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য বন্ধ আর বাকি সবার জন্য উন্মুক্ত বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

শনিবার মার্কিন ক্যাবল নিউজ চ্যানেল এমএস নাউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

আরাঘচি বলেন, অন্য দেশের জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি পার হতে কোনো বাধা নেই। অনেক জাহাজ ইতোমধ্যে এই প্রণালি ব্যবহার করছে।

আপাতত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করার পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে জানান তিনি।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। সংঘাত শুরুর পর থেকেই প্রণালি বন্ধ হওয়ার শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে।

ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার প্রভাবও তেমন বড় নয় বলে দাবি করেন আরাঘচি। এই দ্বীপের মাধ্যমে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়।

পারস্য উপসাগরের প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে আমিরাতের শহরগুলো ব্যবহার করছে।

তার অভিযোগ, দুবাই, রাস আল খাইমাহসহ জনবহুল এলাকা থেকে মার্কিন রকেট ইরানে ছোড়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি ‌‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে উল্লেখ করেন।

যদিও ইরানের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, আরাঘচির বক্তব্য বিভ্রান্তিকর নীতির অংশ।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটি আত্মরক্ষার অধিকার রাখলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে সংযম ও কূটনৈতিক পথকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি আহত হয়েছেন। এবং তার চেহারাও বিকৃত হয়ে গেছেন।

তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন আরাঘচি। তিনি বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতার কোনো সমস্যা নেই। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে চলছে। সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।