
ছাদ চুঁইয়ে পড়ে বৃষ্টির পানি, খসে পড়ছে পলেস্তারা, ফাটল ধরেছে পিলারেও। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই প্রতিদিন পাঠদান চলছে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মহাজন উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। ভবনের সমস্যার সমাধানে ছয় বছর ধরে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও ম

একদিকে ১৭৩ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর হাসিমুখ ও ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন, অন্যদিকে ২৫ শিক্ষক-কর্মচারীর অনিশ্চিত জীবন। বছরের পর বছর বিনা বেতনে পাঠদান করেও তাদের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে না। সরকারি স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির আশায় দিনের পর দিন দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। কিন্তু ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও মেলেনি কাঙ্ক্ষ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় মধুমতী নদীর ভয়াল গ্রাসে দিশেহারা নদীপাড়ের শত শত মানুষ। চোখের সামনেই একে একে বিলীন হয়ে যাচ্ছে সারাজীবনের উপার্জনে গড়া ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। গত দুই সপ্তাহে লোহাগড়া ও কোটাকোল ইউনিয়নে ১৫০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। নতুন করে ভাঙন ঝুঁকিতে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন আরও

সংসারের অভাব থামিয়ে দিয়েছিল পড়াশোনা। চোখে থাকা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্নও একসময় ফিকে হয়ে যায়। মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর পরই বই-খাতার সঙ্গে অসিত বিশ্বাসের সম্পর্ক থেমে যায়। এরপর পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে শুরু হয় জীবনের কঠিন অধ্যায়। তবে স্বপ্ন দেখা থামাননি তিনি। ইউটিউব দেখে কৃষিকাজের নতুন কৌশল শেখার পর