
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন হবিগঞ্জের লাখ লাখ মানুষ। কোথাও চিকিৎসক সংকট, কোথাও নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে ৮টিতেই বন্ধ রয়েছে অস্ত্রোপচার। ফলে অ্যাপেন্ডিসাইটি

হবিগঞ্জের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার এক হাজার ৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষকের ৪৬১টি পদই শূন্য। অর্থাৎ প্রায় ৪৪ শতাংশ বিদ্যালয়ে কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকেরও ৪৯৬টি পদ খালি রয়েছে। সবমিলিয়ে জেলার প্রাথমিক বিদ্

জীবনের শুরু থেকে প্রতিকূলতা পিছু ছাড়েনি ১৯ বছরের মো. আলিফ মিয়া চৌধুরীর। দুর্ঘটনায় শয্যাশায়ী বাবা, দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ও মানসিক ভারসাম্যহীন মা, বেকার বড় ভাই–সব মিলিয়ে সংসারে ছিল না কোনো নিয়মিত আয়ের উৎস। নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে যে অর্থ আয় করতেন, তা দিয়ে চলত পরিবারের ভরণপোষন। তার

হবিগঞ্জে থামছে না সংঘর্ষ। আধিপত্য বিস্তার, জমিজমা নিয়ে বিরোধ, পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি থেকে জুন) এসব ঘটনায় প্রাণ গেছে অন্তত ১৬ জনের। এতে আহত হয়েছেন ৭৭৭ জন। সংঘর

হবিগঞ্জে থামছে না সংঘর্ষ। আধিপত্য বিস্তার, জমিজমা নিয়ে বিরোধ, পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি থেকে জুন) এসব ঘটনায় প্রাণ গেছে অন্তত ১৬ জনের। এতে আহত হয়েছেন ৭৭৭ জন।

হবিগঞ্জ জেলায় প্রাথমিক শিক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল ও শিক্ষক সংকট বিরাজ করছে। জেলা থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ বছরের পর বছর শূন্য থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম, বিদ্যালয় তদারকি ও শিক্ষার মানোন্নয়ন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।