পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের সম্মানসূচক চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ইয়োহেই সাসাকাওয়া বলেন, নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সম্পর্কের ইতিহাস অর্ধশতাব্দীরও বেশি পুরোনো।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় ১৯৭১ সালে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার সূচনা হয়। এরপর থেকে বাংলাদেশের মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় নিপ্পন ফাউন্ডেশন বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান সাসাকাওয়া।
তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জানান, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ও তার প্রতিষ্ঠান কুষ্ঠরোগ নির্মূলে কাজ করে আসছেন। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বিভিন্ন দেশের সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) এবং কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন তারা।
বাংলাদেশের কুষ্ঠরোগীদের সহায়তায়ও কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ইয়োহেই সাসাকাওয়া।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য জাপান ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।
তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান অর্জনে জাপানের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘস্থায়ী এই মানবিক ও আঞ্চলিক সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



