logo

দেশে আনা হলো ইরাকে নিহত শ্রাবণের মরদেহ

দেশে আনা হলো ইরাকে নিহত শ্রাবণের মরদেহ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শ্রাবণের মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ইসলাম ওবায়েদ। ছবি: সংগৃহীত

ইরাকের বাগদাদে মিসাইলের আঘাতে নিহত বাংলাদেশি রেমিট্যান্সযোদ্ধা মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শ্রাবণের মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ইসলাম ওবায়েদ।

শুক্রবার (২৯ মে) ভোর সোয়া ৫টায় মরদেহ বহনকারী তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করলে সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সম্মানের সাথে তা গ্রহণ করা হয়।

বাগদাদের বাংলাদেশ দূতাবাসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি প্রক্রিয়ায় তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

গত বুধবার (২৭ মে) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-TK0843 এর মাধ্যমে মরদেহটি প্রেরণ করা হয়। এরপর তুরস্কে ২৯ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে পুনরায় তার্কিশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট নং-TK0712 যোগে আজ সকালে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এটি এসে পৌঁছায়।

বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাফন-কাফন বাবদ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক অনুদান মৃতের স্বজনদের হাতে তুলে দেন।

গত ২৫ মে বাগদাদের বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) পারভেজ আলম চৌধুরী দাপ্তরিকপত্রের মাধ্যমে মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত মোহাম্মদ শ্রাবণ (পাসপোর্ট নং-ইজে ০৮২০৩২৭) মুন্সিগঞ্জ জেলার মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত বকুলতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ নলি মিয়ার সন্তান। তিনি ১০ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে ইরাকের বাগদাদে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সম্প্রতি বাগদাদে যুদ্ধকালীন সময়ে নিক্ষিপ্ত একটি মিসাইলের আঘাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার এই অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।