logo
সিইজিআইএসের পূর্বাভাস

এ বছর যমুনায় সাতটি, পদ্মায় চার স্থানে ভাঙনের শঙ্কা

এ বছর যমুনায় সাতটি, পদ্মায় চার স্থানে ভাঙনের শঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

এ বছর যমুনা নদীতে সাতটি এবং পদ্মা নদীর চারটি স্থান ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২৬ সালের জন্য তৈরি করা সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) পূর্বাভাসে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

সিইজিআইএসের পূর্বাভাসে ২০২৬ সালের জন্য যমুনা, গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর উভয় তীরে তিনটি ভিন্ন সম্ভাবনার (৭০, ৫০ ও ৩০ শতাংশ) জন্য নদীভাঙনের ফলে ঝুঁকিপূর্ণ সম্ভাব্য ১১টি স্থানের নদীভাঙনের পূর্বাভাস ও ফলাফল দিয়েছে। যার মধ্যে যমুনা নদীতে সাতটি, গঙ্গা নদীতে তিনটি এবং পদ্মা নদীতে একটি ভাঙন ঝুঁকিপূর্ণ স্থান রয়েছে। সিইজিআইএসের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চল দিয়ে পদ্মা নামে প্রবাহিত নদীকে ‘গঙ্গা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সে হিসাবে পদ্মা নদীর মোট চারটি স্থান ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

এসব নদীতে সাতটি জেলার (কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর) প্রায় ৯১৫ হেক্টর জমি নদীভাঙনের ফলে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ৭৩ হেক্টর বসতভিটা, তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তিনটি মসজিদ এবং একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীভাঙনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

নদীভাঙন বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ। নদীভাঙনের ফলে নদীর তীরে বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ প্রতি বছর গৃহহীন হয় এবং সেই সঙ্গে কৃষি জমিসহ নদীর তীরে বিদ্যমান অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা যেমন নদীতীর প্রতিরক্ষামূলক কাজ যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি সময়সাপেক্ষ।

সিইজিআইএস বিভিন্ন সময়ের স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে নদীর মরফোলজি বিশ্লেষণ করে নদীভাঙন পূর্বাভাস দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সাল থেকে যমুনা, গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর ভাঙনের পূর্বাভাস দিয়ে আসছে।

২০০৭ সালে সিইজিআইএস সর্বপ্রথম যমুনা, গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর তীরে ভাঙনের পূর্বাভাস পরীক্ষামূলকভাবে চারটি ভাঙনকবলিত স্থানের মানুষের কাছে প্রচার করে।