Advertisement

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবিরের স্মারকলিপি, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
ডাকসু নির্বাচন নিয়ে শিবিরের স্মারকলিপি, কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মহিউদ্দিন খান। ছবি : এশিয়া পোস্ট

পরবর্তী ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচনের তারিখ ও স্পষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

Advertisement

ডাকসুর সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও ছাত্রশিবির ঢাবি শাখার সভাপতি মহিউদ্দিন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্য (ভিসি) বরাবর এ স্মারকলিপি দিতে যায়। উপাচার্যকে কার্যালয়ে না পেয়ে প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের কাছে তাদের দাবিনামা হস্তান্তর করে এবং পরবর্তী ডাকসু নিয়ে প্রশাসনের পরিকল্পনা জানতে চায়।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এজিএস মহিউদ্দিন খান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে বর্তমান ডাকসুর মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। অথচ পরবর্তী ডাকসু নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে প্রশাসন এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাজেট বরাদ্দ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) চিঠি পাঠানোর বিষয়েও কোনো অগ্রগতি নেই।’

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিগত সরকারগুলোর মতো বর্তমান প্রশাসনও ডাকসু বন্ধ রাখার পাঁয়তারা করছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক ভয় থেকে সব সময় ডাকসু বন্ধ রাখার একটি প্রবণতা দেখা গেছে। কিন্তু ডাকসু শিক্ষার্থীদের অধিকার, আমরা এ অধিকার আদায় করেই ছাড়ব।’

বক্তব্যে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। মহিউদ্দিন খান অভিযোগ করেন, শাহবাগ থানায় হামলাকারী ব্যক্তিই শহীদুল্লাহ হলসহ অন্যান্য স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত ছিল। প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতার কারণে তিন-চার মাস পার হলেও তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘রবি ও সোমবারের মধ্যে যদি তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ না করা হয়, তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।’

এ সময় দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসুর রোডম্যাপ ঘোষণা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান তিনি।