Advertisement

মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র‍্যাব

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই: র‍্যাব
র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নেয়ামুল হাসান। ছবি: এশিয়া পোস্ট

রাজধানীর মোহাম্মদপুরকে গডফাদার ও সন্ত্রাসী তৎপরতামুক্ত করতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বাহিনীটির দাবি, ধারাবাহিক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি গডফাদারদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ফলে বর্তমানে মোহাম্মদপুরে কোনো কিশোর গ্যাং সক্রিয় নেই।

Advertisement

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নেয়ামুল হাসান।

তিনি জানান, মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং লিডার এলেক্স ইমন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে রিপোল ওরফে বিপুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক এবং সাতটি ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক বলেন, অভিযানে মূলত গডফাদারদের লক্ষ্য করা হচ্ছে। নিচের সারির সদস্য বা ছোটখাটো গ্রুপের পরিবর্তে অপরাধের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তার দাবি, গডফাদারদের গ্রেপ্তারের পর মোহাম্মদপুরের পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল হয়েছে। আগামী দিনে এ এলাকা আরও নিরাপদ ও বসবাসের উপযোগী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নেয়ামুল হাসান বলেন, মোহাম্মদপুরকে ‘সিটি অব গডস’ হিসেবে যে ধারণা তৈরি হয়েছে, তা থেকে এলাকাটিকে বের করে আনার চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি বলেন, নিকট ভবিষ্যতে মোহাম্মদপুর থেকে গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। একইভাবে পুরো রাজধানীকেই বখাটে ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

এলেক্স ইমন হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক জানান, হত্যার নেপথ্যের বিস্তারিত তথ্য তদন্তকারী কর্মকর্তাই জানাতে পারবেন। র‍্যাব মূলত তদন্তে সহায়তার অংশ হিসেবে আসামিদের গ্রেপ্তারকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দির পর হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। যেহেতু র‍্যাব সরাসরি মামলাটির তদন্ত করছে না, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য থানা পুলিশই জানাতে পারবে।