logo

নাশকতার জন্য ৯ হাজার মুখোশ সংগ্রহ করে আ.লীগ: ডিএমপি

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
নাশকতার জন্য ৯ হাজার মুখোশ সংগ্রহ করে আ.লীগ: ডিএমপি
ছবি : এশিয়া পোস্ট

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় ৯ হাজার মুখোশ সংগ্রহ করেছিল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেগুলো উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক ব্রিফিংয়ে ডিএমপির ক্রাইম প্রিভেনশনের (সাউথ) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া এ তথ্য জানান।

যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের লালবাগ থানাধীন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শ্যামপুর থানা-পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে অবস্থিত আসামির বাসভবনে অভিযান চালিয়ে এসব বিস্ফোরক দ্রব্যাদি উদ্ধার করে।

পুলিশের ব্রিফিং সূত্রে জানা গেছে, ঘরে তল্লাশিকালে ঘরের একটি আলমারির পেছন থেকে তিনটি বড় কার্টনে রাখা ৯ হাজার পিস মুখোশ এবং ককটেল তৈরির বিপুল পরিমাণ উপাদান উদ্ধার করা হয়।

জাহিদ হাসান ইমনকে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য অনুযায়ী, এসব মাস্ক মূলত ঝটিকা মিছিল কিংবা নাশকতামূলক অপরাধ সংঘটনের সময় অপরাধীদের পরিচয় গোপন রাখতে এবং মুখ ঢেকে রাখার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ দলের বড় নেতার নির্দেশে সংগ্রহ করা হয়েছিল। অজ্ঞাত এক ব্যক্তি ভ্যানে করে এসব সরঞ্জাম ও মুখোশ আসামির বাসায় পৌঁছে দেয়। তদন্তের সঙ্গে সেই নেতার নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, যাত্রাবাড়ী ও শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণের একাধিক ঘটনায় আসামির সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। রাজনৈতিক নির্দেশে কেমিক্যাল দিয়ে ককটেল বানিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করার পরিকল্পনা চলছিল। এই নাশকতার পেছনের মূল পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীদের চিহ্নিত করতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়।