logo

ফোন কেড়ে নিয়ে ট্রাইপড ভাঙেন পরীমনি, দাবি সাংবাদিকের

ফোন কেড়ে নিয়ে ট্রাইপড ভাঙেন পরীমনি, দাবি সাংবাদিকের
সাংবাদিকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সামাজিক মাধ্যমের ভিডিও থেকে নেওয়া

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে এক সাংবাদিকের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া ও ট্রাইপড ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি এ ঘটনা ঘটান বলে দাবি করেন রবিউল হোসেন নামের ওই সাংবাদিক।

ভুক্তভোগী ওই রবিউল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লিফটে ওঠার সময় আমাকে ভিডিও করতে দেখে পরীমনি আমার ফোন কেড়ে নেন। এ সময় ট্রাইপডও ভেঙে ফেলেন।’

এদিকে ওই সাংবাদিক তার গায়ে হাত দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নায়িকা পরীমনি।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই রবিউল বলেন, ‘এমন প্রশ্নই ওঠে না। নামার সময় দ্বিতীয়বার আমাকে দেখে তিনিই বরং হাত ধরে টেনে নিয়ে যান। এরপর অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে যান পরীমনি। পরে জামিন পেয়ে আদালত থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠার সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, বডিগার্ডদের চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, পরীমনির নিরাপত্তাকর্মী ও সহকারীরা তাকে ঘিরে আদালত থেকে বের করে গাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরে জামিনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চান।

কেউ কেউ দূর থেকে প্রশ্ন করেন, ‘জামিনের পর আপনার প্রতিক্রিয়া কী, আমাদের মন্তব্যটা বলেন।’

প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে চলা এ ঘটনার একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পরীমনি। পরে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কত বড় সাহস, গায়ের মধ্যে হাত দেয়, সাহস দেখায়।’

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উপস্থিত কয়েকজন ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে দেন। এরপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে করতে দ্রুত গাড়িতে ওঠেন পরীমনি। অন্যদিকে ওই ব্যক্তি উচ্চ স্বরে বলতে থাকেন, ‘তার গায়ে আমি দিইনি। কেন সে এ অভিযোগ করবে?’ এ সময় দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরীমনির গাড়ি।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে রাখা একটি সাদা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন পরীমনি। বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের আবেদন জানান।

শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান।