logo

বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ড/দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে: এমপি জাহাঙ্গীর

দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে: এমপি জাহাঙ্গীর
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। ছবি: এশিয়া পোস্ট

বিমানবন্দরের বার বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা, তদন্ত সাপেক্ষে জানা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের সামনে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এমপি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গত বছরের ১৮ অক্টোবর এখানে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। আজকেও একই জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ জায়গার পরিবর্তন ঘটেছে, কিন্তু ডিএইচএল যে মালামালগুলো রাখে, সেই জায়গাতেই।

তিনি বলেন, গত বছরে অগ্নি দুর্ঘটনাটি অনেক বড় আকারের ঘটেছিল। প্রায় দুই দিন চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল। আগের বার এবং এবারও ফায়ার সার্ভিস অনেক ভালো কাজ করেছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই এখানকার ফায়ার সার্ভিসে কর্মীরা কাজ শুরু করেন, পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের অন্যান্য কর্মীরা আসেন।

এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, প্রতি বছর এমন দুর্ঘটনা কেন ঘটে, এটি আমাদের জাতির প্রশ্ন। বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে যদি প্রতি বছর আগুন লাগে, তাহলে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি কোথায় যায়? এটি বাস্তব ঘটনা।

তিনি বলেন, এখানে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বলেছেন, গত বছর আমরা অনেক কমিটি করেছি। সেই কমিটি রেজাল্ট দিয়েছে। সেগুলো নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছি। যেখানে যেভাবে কাজ করা দরকার, সেভাবে কাজ করেছি। আজকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে দুটি কমিটি করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, গত বছর আগুন লাগার কারণে মালামালগুলো শিফট করে এখানে অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে। অস্থায়ীভাবে রাখার পরেও যে পরিমাণ মালামাল থাকার কথা, তার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে মালামাল আছে। এটি যেমন আগুনের জন্যও ক্ষতক্ষতির, তেমন হিটের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

শুক্রবার রাত ১১টা ২৪ মিনিটে ৯ নম্বর গেটের মালামাল রাখার স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে বিমানবন্দরের ফায়ার ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস, বিমান বাহিনীর চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।