এমজিআই-মার্কেটিং অ্যালামনাই স্কলারশিপ পেলেন ঢাবির ৯০ শিক্ষার্থী

মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) যৌথ উদ্যোগে ৯০ জন শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ‘এক দশকের যৌথ পথচলা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাবির নওয়াব নবাব আলী সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন এবং মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ঢাবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন বলেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথ যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব। এমজিআই-মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন স্কলারশিপ কর্মসূচি মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে সহায়তা করার পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে করপোরেট ও অ্যালামনাই অংশীদারত্বের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি আশা করি, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সম্ভাবনার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে উৎসাহিত করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ তাদের একাডেমিক অগ্রযাত্রার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে সহায়ক। এমজিআই-এমএএ স্কলারশিপ কর্মসূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অ্যালামনাই ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কার্যকর সম্পৃক্ততার একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত। আমি আশা করি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এমজিআইয়ের ডিরেক্টর ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা। তিনি বলেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানে শুধু একজন শিক্ষার্থীর বর্তমানকে সহায়তা করা নয়, বরং পরিবার, সমাজ এবং দেশের ভবিষ্যতের ওপর বিনিয়োগ।
এমজিআই-এমএএ স্কলারশিপের মাধ্যমে আমরা শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিতে চাই না, তাদের স্বপ্নকে এগিয়ে নেওয়ার আত্মবিশ্বাসও দিতে চাই। আগামী দিনেও শিক্ষা ও তরুণদের ক্ষমতায়নে এমজিআই, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সিরাজুল হক, মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি প্রফেসর ড. আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মো. রাফিক হাসান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান।
এ ছাড়া শিক্ষার্থী ও তরুণদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রাণিত করতে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ স্পার্ক সেশন: বিয়ন্ড স্কলারশিপ: শেইপিং ফিউচার লিডার্স। সেশনটি পরিচালনা করেন এমজিআইয়ের সিএমও কাজী মো. মহিউদ্দিন ।
বিগত কয়েক দশক ধরে এমজিআই বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসা ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে আসছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, বৃত্তি, যাতায়াত সুবিধা, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও আবাসন সহায়তাও প্রদান করে আসছে।
